Sunday, 1st November, 2026

নড়িয়ায় মা ইলিশ সংরক্ষণে সচেতনতা সভা ও ভিজিএফ চাল বিতরণ

নড়িয়া উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে মা ইলিশ সংরক্ষণে সচেতনতা সভা ও ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (৯ অক্টোবর) বিকালে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলাধীন চরআত্রা ইউনিয়নে পদ্মানদীর পাড়ে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণে সচেতনতা সভা ও জেলেদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
নড়িয়া উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহাম্মেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুবুল আলম, শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল হক। নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শংকর চন্দ্র বৈদ্য এর সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন মৃধা। এসময় বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, অড়ৎদার জেলে সদস্যবৃন্দসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশে মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য বেশ জোরেশোরে নেমেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এখন ইলিশ মাছ ধরার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা চলছে সেটিকে তারা বেশ কঠোর ভাবেই প্রয়োগ করবেন। মা ইলিশ রক্ষার জন্য আটটি সংস্থা কাজ করবে। নৌ-বাহিনী, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, পুলিশ, নৌ-পুলিশ। সবগুলো সংস্থা দিন-রাত মিলিয়ে পালাক্রমে নদীতে টহল দিবে বলে জানান। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা নদীতে মাছ ধরার সময় হাতেনাতে ধরা পড়বে তাদের কারাদণ্ড বা জরিমানা করা হবে। মা ইলিশ যাতে ডিম ছাড়তে পারে সেজন্য প্রতি বছর অক্টোবর-নভেম্বর মাসে প্রায় তিন সপ্তাহ দেশের সাত হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। আমাদের শরীয়তপুর জেলায় ২০ কিলোমিটার নদী এর আওতায় পরেছে।
তিনি আরও বলেন, “একটি ইলিশ একবারে গড়ে দশ থেকে বারো লক্ষ ডিম ছাড়ে। ভেবে দেখুন এটা কত বড় একটা বিষয়”। ছোট ইলিশ মাছ যাতে বড় হতে পারে সেজন্য প্রতি বছর মার্চ- মে মাস পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকে। এছাড়া ইলিশ মাছ যাতে ডিম ছাড়তে পারে সেজন্য অক্টোবর মাসে তিন সপ্তাহের জন্য নিষেধাজ্ঞা থাকে।