বিশ্ব ব্যাংক এর সহায়তায় এবং এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন রিজিলিয়েন্ট আরবান এন্ড টেরিটরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট এর অওতায় শরীয়তপুর পৌরসভায় ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা (সিডিপি), ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান (সিআইপি), পৌরসভা ডেভেলপমেন্ট প্লান (পিডিপি) এবং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট অ্যাকশন প্ল্যান (সিআরএপি) শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
৭ এপ্রিল মঙ্গলবার শরীয়তপুর পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পৌর প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদ হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও দলনেতা মোঃ আব্দুর রকিব খান।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের পৌরসভা গুলোকে উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের পৌরসভার সাথে সংযুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্প্রসারণ, গ্রামীণ ও নগর এলাকার মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
প্রথম পর্যায়ে প্রকল্পটি ৮১টি পৌরসভা এবং ৬টি সিটি কর্পোরেশনে বাস্তবায়িত হবে, যা বাংলাদেশের ৩৬টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় ২.১ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন, যার অর্ধেকই নারী।
কর্মশালায় জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় নোডাল সিটির রাস্তা ও ফুটপাত, সড়কবাতী উন্নয়ন, ড্রেন নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট, বাজার ও বাস টার্মিনাল উন্নয়ন, ডাম্পিং স্টেশন, সুপারমার্কেট, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, পৌরভবন নির্মাণসহ আধুনিক নগর সেবার বিভিন্ন দিক উন্নয়ন করা হবে। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প সামাজিক ও পরিবেশগত দিক বিবেচনা করে এবং নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পরিচালিত হবে।
কর্মশালায় পৌরসভার টাউন-লেভেল কোঅর্ডিনেশন কমিটি সদস্যবৃন্দ, প্রকল্পের কারিগরি বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট পরামর্শকবৃন্দ: নগর পরিকল্পনাবিদ তামান্না সালাম, সামাজিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ এম.টি.এস মেহমুদ, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মাহমুদা খাতুন, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার সানিম আরেফীন, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার অনান্য প্রকৌশলী উপস্থিত ছিলেন।