মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় জেলার নড়িয়া উপজেলার পদ্মানদী বিধৌত মূলভূখন্ড বিচ্ছিন্ন দুর্গম জনপথ চরআত্রা ও নওপাড়া ইউনিয়নের ভূমিহীন গৃহহীনরাও পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার মুজিব শতবর্ষের ঘর।
এ দুটি ইউনিয়ন নড়িয়া উপজেলার মূলভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন পদ্মাবিধৌত চর এলাকা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ নিরাপদে মাথা গুজাটাই ছিল জনম জনমের স্বপ্ন, তারা কোন রকমে ছোট ছাপরা ঘরে বসবাস করতো সেখানে নির্মাণ হচ্ছে সেমিপাঁকা ঘর।
নওপাড়ার কাশেম আজাদ বলেন, এ এলাকায় কয়েক বছর পূর্বেও প্রতিবছরই নদী ভাঙন আমাদের সর্বশান্ত করতো। আমাদের প্রিয় সন্তান যোগ্য নেতা পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম স্থায়ী বেড়িবাঁধ দিয়ে আমাদের পদ্মার আগ্রাশন থেকে মুক্ত করেছেন। সেখানে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের স্থায়ী পাকা ঘর।
চরআত্রার বোরহান উদ্দিন বলেন, দুঃখ কষ্ট আর অনুন্নত জীবন ব্যবস্থায় অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিলো আমাদের জীবন। সে জনপদে সাবমেরিন ক্যাবল ও রিভারক্রস টাওয়ারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ দিয়ে শামীম ভাই আমাদের হাজার বছরের স্বপ্নকে বাস্তব করে উন্নয়নের সমৃদ্ধিরালয় আলোকিত চরআত্রা উপহার দিয়েছেন। এখানে মানুষের জীবনে এখন উন্নত নাগরিক সুবিধায় পরিপূর্ণতা লাভ করেছে।
জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণের ঘর এখানকার মানুষের জীবনে নিয়ে এসেছে নতুন গতি। ঘরের নির্মাণ কাজ শেষের দিকে তাই পুরো এলাকার মানুষ বুনছে নতুন ঠিকানায় তাদের মাথা গোজার স্বপ্ন। এখানকার ঠিকানাহীন মানুষ গুলো পাবে তাদের স্থায়ী ঠিকানা। আশ্রয়ণ কেন্দ্রিক কৃষি আবাদ ও নতুন কাজের সুযোগ গড়ে উঠবে। সমৃদ্ধ হবে বাসিন্দাদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থার। ঘরগুলো দ্রুতই বরাদ্দ প্রদান করা হবে।