Friday, 21st August, 2026

দ্রুততম সময়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে অন্তর্র্বতী সরকার : প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব অন্তর্র্বতী সরকার দায়িত্ব হস্তান্তর করবে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত পরবর্তী সরকারে বর্তমান অন্তর্র্বতী সরকারের কোনো ভূমিকা থাকবে না। নির্বাচনের পরপরই নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণের পর তাদের প্রতিনিধির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এ সময় প্রক্রিয়াটি যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা হবে।’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুল আলম বলেন, ‘সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এমপিরা শপথ নেওয়ার পর বহুসংখ্যক দলের নেতাকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। এ পুরো প্রক্রিয়াটি তিন দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে। অর্থাৎ ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই তা হতে পারে। আমার মনে হয় না এটি ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির বেশি সময় নেবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে আগে নাটক করে যেসব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটানো হতো, এখন তেমন একটি ঘটনাও ঘটছে না। যারা অতীতে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হচ্ছে এবং বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে। আমাদের বড় একটি দায়িত্ব হলো নির্বাচনের জন্য দেশকে প্রস্তুত করা। রাষ্ট্রব্যবস্থাকে একটি ভালো সংস্কারের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ‘জুলাই চার্টার’ তৈরি করা হয়েছে। জুলাই চার্টার এখন গণভোটে (রেফারেন্ডাম) এসেছে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশের জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এর ফলাফল জানাবে।’

প্রেস সচিব বলেন, ‘দেশের রাজনীতি ও সংস্কৃতি আগে দু-তিনজন লোকের হাতে আয়ত্তাধীন ছিল। সেখানে এখন একটি বড় পরিবর্তন এসেছে। আমাদের মেয়াদ যখন শেষ হয়ে আসবে, অর্থাৎ সরকার ছাড়ার আগ মুহূর্তে উপদেষ্টারা তাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি খুবই আনন্দের বিষয় যে, এখন পর্যন্ত আমরা বড় কোনো সহিংসতা দেখিনি। অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। সারাদেশে নির্বাচনের এই আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছে। বড় রাজনৈতিক দলগুলো অত্যন্ত পরিণত আচরণ করছে। তাদের নেতারা সারাদেশে জনসভা ও ভাষণ দিচ্ছেন। আপনারা দেখছেন লাখ লাখ মানুষ এই ভালো নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে আছে। আমরা আশা করি, একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন দেখতে পারব।’

নির্বাচনী সহিংসতার পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা পুলিশের কাছ থেকে তথ্য নিয়েছি। তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১১৫ জন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ২২ জন এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে ৬ জন মারা গিয়েছিলেন। অন্যান্য নির্বাচনী সহিংসতার তুলনায় এবার পরিবেশ যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ। আমাদের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতায় ৫ জন মারা গেছেন।’

Share this news as a Photo Card

Share and Enjoy !

Shares

০৯ নভেম্বর ২০২৫

সেনাবাহিনীর সদস্যদের মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

www.janadristi.com