কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরীর আমির ড. মাওলানা কারামত আলী বলেছেন, এদেশের ছাত্রজনতা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বৈরাচার হটিয়ে দেশ নতুন ভাবে স্বাধীন করেছেন, কিন্তু তারা আর কখনোই নতুন কোন স্বৈরাচারকে বাংলার মাটিতে মেনে নিবেনা। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাছেই এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সবচেয়ে নিরাপদ বলে মনে করছে দেশের অধিকাংশ মানুষ।
তিনি বলেন, আগামী দিনের নতুন বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য জামায়াতের শপথের সদস্যদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। জামায়াতে ইসলামীর কয়েক কোটি কর্মী-সমর্থককে ইসলামের অনুশাসন মেনে চলার জন্য রুকন ভাইয়েরা অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন।
শনিবার (৫ অক্টোবর) শরীয়তপুর পৌর অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শরীয়তপুর জেলা শাখা আয়োজিত রুকন শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শরীয়তপুর জেলা আমীর অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুর রব হাসেমী’র সভাপতিত্বে ও উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল মহানগরীর আমীর অধ্যক্ষ জহির উদ্দীন মোহাম্মদ বাবর, গোপালগঞ্জ জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ও ফরিদপুর অঞ্চল টিম সদস্য এ্যাড. আজমল হোসাইন। শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মালানা মাসুদুর রহমান এর সঞ্চালনায় শিক্ষা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলার সাবেক আমীর ও ফরিদপুর অঞ্চল টিম সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা খলিলুর রহমান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জেলা নায়েবে আমীর কেএম মকবুল হোসাইন, দৈনিক হুংকার সম্পাদক আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবীব. শরীয়তপুর পৌরসভা আমীর মোঃ শহীদুল ইসলাম, সাবেক জেলা আমীর ডাঃ নুরুল হক, সাবেক জেলা আমীর সিরাজুল হক।
বিশেষ অতিথির আলোচনায় কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল মহানগরীর আমীর অধ্যক্ষ জহির উদ্দীন মোহাম্মদ বাবর বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাদেরকে তাক্বওয়া অর্জনের মাধ্যমে গণমানুষের কাছে নিজেদেরকে মডেল হিসেবে তুলে ধরতে হবে। কথায় এবং কাজে শতভাগ মিল থাকতে হবে। নফসের গোলামী ত্যাগ করে অহংকারসহ সকল ধরণের খারাপ কাজ থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে জীবন যাপন করার অনুরোধ জানান তিনি।
অপর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোপালগঞ্জ জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ও ফরিদপুর অঞ্চল টিম সদস্য অ্যাডভোকেট আজমল হোসাইন বলেন, ইসলামী আন্দোলনের রোকন বা সদস্যদের সর্বোচ্চ আনুগত্য ও ত্যাগের নজরানা পেশ করতে হবে। মানুষ আমাদেরকে আগামী দিনের সম্ভাবনার বাংলাদেশের প্রতীক হিসেবে দেখতে চায়। জামায়াতের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে দেশ পরিচালনার যোগ্য মানুষ হিসেবে তৈরি হতে হবে। সম্মেলনে শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের সারে ৬ শতাধিক রুকন সদস্য অংশগ্রহণ করেন।