শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তরুণদের দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক শিক্ষার্থীসহ তিনজন আহত হয়েছে। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার সরকারি শামসুর রহমান কলেজ ও ইদিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামেন দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-গোসাইরহাট উপজেলার মিত্রসেন পট্রি এলাকার নাজু সরদার (৩৫), জিলান পেদা (২২), সরকারি শামসুর রহমান কলেজ একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও বিনটিয়া এলাকার বাসিন্দা জিসান (১৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিসান পেদা তাঁর ভাই জিলান পেদা ও সোয়ান সরদার তাঁর ভাই নাজু সরদারের মধ্যে সরকারি শামসুর রহমান কলেজের সামনে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কথাকাটাকাটির এক পর্যায় উভয়ের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া সংঘর্ষে জড়ায়। এতে এলাকায় আতঙ্কসহ সড়কে যানযটের সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে সময় জিসান, জিলান ও নাজু আহত হন। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। জিলানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
জিসান বলেন, আমার ছোট ভাই ওদের সঙ্গে চলাফেরা করেন। আজ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাজু সরদার ও তাঁর লোকেরা আমার ছোট ভাই জিলানীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গালে আঘাত করে রক্তাক্ত করে ও মারধর করে। কিশোর গ্যাং এসব কাজ করছে। আমরা এর বিচার দাবি করছি। তবে আমরা মামলার দিকে যেতে চাই না।
এ ব্যাপারে সোয়ান সরদার তাঁর ভাই নাজু সরদার বলেন, আমাকে অন্যায়ভাবে মারপিট করে মাথা ফাটিয়েছে আমি এর উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।
গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাকসুদ আলম জানান, খবর পেয়ে গোসাইরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে জানতে পেরেছি চটপটি খাওয়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।