Monday, 26th October, 2026

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের নামকরণ ও বিভিন্ন ভবন উদ্বোধন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজ নামকরণ ও বিভিন্ন ভবনের উদ্বোধন করেছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। ২৭ জুলাই বুধবার দুপুরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হারুন অর রশীদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর মো: ওলিউর রহমার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মিজানুর রহমান। এর পূর্বে ধনুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবরনের উদ্বোধন করেন এমপি।
কলেজের অসম্পন্ন উন্নয়ন দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ। তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালে শরীয়তপুর সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন একটি মাত্র ভবন ছিল। আজ কলেজের অনেকগুলো ভবন হয়েছে। শিক্ষার্থী সংখ্যাও বেড়েছে। এখন ১১টি বিষয়ে অনার্স ও ৪টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে। আরো অনেক বিষয় অনার্স ও মাস্টার্স শিক্ষা চালু করা দরকার। কলেজে ৪৮টি শিক্ষকের পদ রয়েছে আর পদায়ন রয়েছেন ৩৬ জন শিক্ষক। শিক্ষকদের থাকার জন্য ডরমেটরি না থাকায় শিক্ষকগণ অন্যত্র চলে যায়। কলেজ মাঠটি নিচু ও অসমতল। সামান্য বর্ষায়ও মাঠটি তলিয়ে যায়। দ্রুত মাঠটি ভড়াট করে ১২ মাস খেলাধুলার উপযোগী করা প্রয়োজন।
এমপি ইকবাল হোসেন অপু প্রধান অতিথি হিসেবে ঘুরে ঘুরে কলেজ ভবন, শেখ লুৎফর রহমান একাডেমিক ভবন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছাত্রীনিবাস ও শেখ রাসেল ছাত্রাবাস উদ্বোধন করেন।
পরে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন, শরীয়তপুরে কোন কলেজ ছিল না। ১৯৭৮ সালে তৎকালীন এসডিও আমিনুর রহমান, এমপি সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালু, নুর মোহাম্মদ কোতোয়াল, আব্দুর রব মুন্সী. রথিন্দ্র কান্ত ঘটক চৌধুরীসহ অনেক গুনিজনের প্রচেষ্টায় এই কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই কলেজ প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে শরীয়তপুরের মানুষ শিক্ষার সুযোগ পেয়েছে। আজ কলেজের আধুনিকায়ন করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার। আজ শরীয়তপুর কলেজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুবিবুর রহমান কলেজ নামে নামকরণ করা হলো। কলেজের উন্নয়নে আমি কি করে দিব তা আজ বলব না। সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে এই কলেজের উন্নয়নে আমি কাজ করব।
তিনি ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ছাত্রলীগের প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনা। এখানে ভিন্ন ভিন্ন আদর্শ থাকতে পারে না। একই আদর্শে সকলকে ছাত্রলীগ করতে হবে। মহসীন আদর্শ এবং রাশেদ আদর্শ ছাত্রলীগে ভিন্নতা আসতে পারে না। যাদের আদর্শে ভিন্নতা রয়েছে তাদের ছাত্রলীগ করার দরকার নাই।