শরীয়তপুর জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে ভেদরগঞ্জ উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ের মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার (২১ মে) কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবদুল জলিল।
জেলা তথ্য অফিসার শাহিন মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন, ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার তাহমিনা আক্তার, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তানবিন হাসান শুভ, উপসহকারি কৃষি অফিসার কায়সার আহাম্মেদ, ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সিইএ মোঃ আল আমিনসহ গণমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উক্ত কৃষক সমাবেশে কৃষক-কৃষাণিগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিষয়ভিত্তিক ডকুমেন্টারিসহ নানান সামাজিক সচেতনতামূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লিখিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচি কৃষক কার্ড, কৃষক কার্ডের প্রদত্ত ১০টি বিশেষ সুবিধাসমূহ, কৃষি ঋণ মওকুফ, খাল খনন কর্মসূচি, পরিবেশ সুরক্ষা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, হাম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ, গুজব প্রতিরোধ, যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখা ও নৈতিকতার পূনরুজ্জীবন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইতোমধ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীগণকে অবহিত করেন। কৃষি খাতে সরকারের দেওয়া ভর্তুকি, ঋণ ও প্রণোদনার মত সুবিধা কৃষকের কাছে সহজলভ্য করতে কৃষকদের কার্ডের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ৪ বছরে এক কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কৃষক কার্ড বিতরণ করবে সরকার। মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা ও এ কার্ডের সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে কৃষকদের কাঠামোগত বঞ্চনার অবসান ঘটাতে চায় সরকার। উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য হল কৃষককে স্বীকৃতি দেওয়া ও তার মর্যাদা নিশ্চিত করা। এজন্য সোনালী ব্যাংকে প্রত্যেক কৃষকের ব্যাংক একাউন্ট করা হবে। কৃষক কার্ডের ৪৫ ধরণের তথ্য থাকবে। আর্থিক প্রণোদনার টাকা কৃষিতেই যেন ব্যয় হয়, সেটা নিশ্চিত করা হবে। কৃষকের আয়, জমির মালিকানা ও আর্থিক অবস্থা বিবেচনা নিয়ে ক্ষুদ্র, ভূমিহীন, প্রান্তিক, মাঝারি ও সচ্ছল এই ৫ শ্রেণীতে কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করার কাজে চলমান আছে।