জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের হিসেব অনুযায়ী ঈদুল আযহায় শরীয়তপুর জেলায় ১ লাখ ১৫ হাজার পশু কুরবানী হয়েছে। কুরবানী হওয়া পশুর চামড়া এলাকা ভিত্তিক ব্যবসায়িরা সংরক্ষণ করে থাকে। এই বছর লবন ও শ্রমিক সংকটে এবং স্থানীয়দের বাঁধার মূখে যথা সময়ে চামড়া সংরক্ষণ করতে না পারায় অনেক চামড়া পচে গিয়েছে।
শরীয়তপুর পৌরসভার বাঘিয়া এলাকায় সুদেব ঋষি ৪ হাজার পশুর চামড়া কিনে লবন ও শ্রমিকের অভাবে চামড়া সংরক্ষণ করতে পারছেন না। ইতোমধ্যে চামড়ায় পচন ধরে পোকা হয়েছে। পর্যাপ্ত লবন না পাওয়ায় ও শ্রমিক অভাবে তার ১ হাজার চামড়া নষ্ট হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। তিনি প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষাতির সম্মুখিন হয়েছেন।
অপর ব্যবসায়ি আতাউর রহমান তালুকদারও লবন ও শ্রমিকের পাশাপাশি স্থানীয়দের চাপের মুখে রয়েছেন। চামড়া সংরক্ষণ করতে গিয়ে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে স্থানীয়দের এমন চাপের মুখে ১ হাজার ২০০ চামড়া নষ্ট হচ্ছে বলে দাবী করেন এই ব্যবসায়ি। তিনি স্থানীয়দের ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন। এই ব্যবসায় লোকশান গুনতে গুনতে অনেক ব্যবসায়ি হারিয়ে গিয়েছে সরকারি ও স্থানীয়দের সহযোগিত না থাকলে এই ব্যবসায়িরাও টিকতে পারবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।