আজ , , ,

চলতি বছর শেষে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষের খাদ্যসংকটের শঙ্কা

জরুরি খাদ্যসহায়তা প্রয়োজন হতে পারে প্রায় ৮ লাখ মানুষের | সবচেয়ে ঝুঁকিতে কক্সবাজার, বান্দরবান, সুনামগঞ্জ ও ভাসানচর

আন্তর্জাতিক সংঘাতের প্রভাব, জ্বালানি ও সারের ঊর্ধ্বমূল্য, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ—সব মিলিয়ে বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে দেশের প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তার মুখে পড়তে পারেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮ লাখ মানুষের জন্য প্রয়োজন হতে পারে জরুরি খাদ্যসহায়তা। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে কক্সবাজার, বান্দরবান, সুনামগঞ্জ ও ভাসানচর। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা না গেলে সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

জাতিসংঘ-সমর্থিত বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ উদ্যোগ ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্ল্যাসিফিকেশন (আইপিসি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কক্সবাজার, বান্দরবান ও সুনামগঞ্জে খাদ্য অনিরাপত্তার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। একই সঙ্গে কক্সবাজার ও ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে থাকা জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক, বিভিন্ন জেলার দরিদ্র পরিবার এবং দুর্যোগপ্রবণ এলাকার বাসিন্দারাও সংকটের আশঙ্কায় রয়েছেন। এদিকে বাগেরহাট, বরিশাল, ঝালকাঠি ও নোয়াখালীতে খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়ে তা চাপের পর্যায় থেকে সংকটের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

খাদ্য অনিরাপত্তার বিভিন্ন স্তরে লাখো মানুষ

‘বাংলাদেশে তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ: মে-ডিসেম্বর ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি চলতি বছরের জুনে প্রকাশ করে আইপিসি। এতে মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ মূল্যায়নে খাদ্য অনিরাপত্তার মাত্রা বোঝাতে পাঁচটি পর্যায় নির্ধারণ করা হয়।

প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে রয়েছেন ৪ কোটি ২৮ লাখ ২৯ হাজার মানুষ, যাঁদের খাদ্যপ্রাপ্তির পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল। দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছেন ৩ কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার মানুষ। তাঁদের খাদ্য সংগ্রহে চাপ রয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে থাকা ১ কোটি ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার মানুষ সংকটপূর্ণ খাদ্য পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারেন। আর চতুর্থ পর্যায়ে থাকা ৭ লাখ ৮৭ হাজার মানুষের জন্য জরুরি সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে। পঞ্চম পর্যায় দুর্ভিক্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতিবেদনে এ পর্যায়ে থাকা মানুষের সংখ্যা শূন্য উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যসংকটের পেছনে কেবল খাদ্যশস্যের উৎপাদন বা সরবরাহের ঘাটতিই কাজ করছে না। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা, জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবিক সহায়তায় অর্থায়নের সীমাবদ্ধতাও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। এসব চাপের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে দরিদ্র পরিবার, দুর্যোগপ্রবণ এলাকার বাসিন্দা এবং সহায়তার ওপর নির্ভরশীল বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর ওপর।

রোহিঙ্গা ও দুর্গত এলাকাগুলোতে বাড়তি উদ্বেগ

আইপিসির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কক্সবাজার ও ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে বসবাসরত বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রায় ৩৫ শতাংশ তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তায় পড়তে পারেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশের পরিস্থিতি জরুরি পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।

বান্দরবান ও সুনামগঞ্জেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ দুই জেলার জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশ তীব্র খাদ্যসংকটের ঝুঁকিতে রয়েছেন। ঝুঁকিতে থাকা মানুষের মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে। এতে পার্বত্য অঞ্চল ও হাওরাঞ্চলে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ আরও বাড়তে পারে।

এ পরিস্থিতির পেছনে আশ্রয়শিবিরে খাদ্যসহায়তার অর্থসংকট, বান্দরবান ও সুনামগঞ্জে সাম্প্রতিক বন্যা, সীমিত জীবিকার সুযোগ এবং অনানুষ্ঠানিক ঋণের ওপর নির্ভরশীলতাকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বছরের শেষ নাগাদ সহায়তার অর্থ নিশ্চিত করা না গেলে আশ্রয়শিবিরগুলোতে খাদ্যসংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও আশ্রয়শিবিরের বাইরের বাস্তুচ্যুত মানুষ ছাড়াও খাগড়াছড়ি, কুড়িগ্রাম ও রাঙামাটির প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তার মুখে পড়তে পারেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য জেলায় এ ঝুঁকিতে থাকা মানুষের হার ১০ থেকে ২৫ শতাংশ হতে পারে।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ ন্যূনতম খাদ্যচাহিদা পূরণে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। ফলে খাদ্যসহায়তা বিতরণে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হলে তাঁদের খাদ্যগ্রহণের পরিমাণ ও মান—দুই ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। পাশাপাশি আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দাদের জীবিকার সুযোগ ও স্বনির্ভরতা বাড়ানোর কর্মসূচিতে অর্থায়ন কমে গেলে সংকট মোকাবিলার উদ্যোগও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

এর সঙ্গে সীমান্তের ওপারের অস্থিতিশীলতা, ঘূর্ণিঝড় ও আকস্মিক বন্যার মতো দুর্যোগ যুক্ত হলে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বরাজনীতির চাপ পড়ছে খাদ্যবাজারে

আন্তর্জাতিক সংঘাত ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতাকে খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছে আইপিসি। ইউক্রেন ও ফিলিস্তিনের সংকটের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি, সার ও কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় চাপ তৈরি করেছে।

বিশেষ করে তেল, গ্যাস ও সার পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে বিঘ্ন ঘটলে জ্বালানি ও কৃষি উপকরণের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যয়ও বাড়তে পারে। এতে কৃষি উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উৎপাদন ব্যয় বাড়লে কৃষকের পক্ষে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ফসল উৎপাদন কঠিন হতে পারে। একই সঙ্গে সরবরাহ কমে গেলে বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার সম্ভাবনা এবং জৈব জ্বালানি উৎপাদনে কৃষিপণ্যের ব্যবহার বাড়ার আশঙ্কাও খাদ্যবাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এসব কারণে খাদ্য, জ্বালানি, সার, অর্থায়ন ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর একযোগে চাপ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

দুর্যোগের ঝুঁকিতে কৃষি ও খাদ্য সরবরাহ

বছরের শেষ ভাগে আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতিও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। পূর্বাভাসে বঙ্গোপসাগরে তিন থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এগুলোর কোনোটি নিম্নচাপ কিংবা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। বৃষ্টির ঘাটতি ও তাপপ্রবাহ কৃষি উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। আবার ঘূর্ণিঝড় বা আকস্মিক বন্যা দেখা দিলে ফসল, কৃষি অবকাঠামো এবং খাদ্য পরিবহনের ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এর ফলে শুধু বাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহই কমবে না, নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য কেনার সামর্থ্যও আরও চাপে পড়তে পারে। তাই সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

ধান উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং সারের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের কৃষি খাতেও প্রভাব ফেলতে পারে। উৎপাদন মৌসুমে কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে গেলে কৃষকের ব্যয় বাড়বে। এতে ধান উৎপাদনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এর পাশাপাশি ২০২৬ সালে হাওরাঞ্চলে বন্যার কারণে খাদ্যশস্য ও বীজ সংগ্রহে বিঘ্ন ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর প্রভাব জাতীয় খাদ্য সরবরাহ এবং পরবর্তী মৌসুমের উৎপাদনেও পড়তে পারে। আগের বছরের তুলনায় কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কাও তুলে ধরা হয়েছে।

কৃষি উৎপাদন কমে গেলে বাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হতে পারে। চাহিদা অপরিবর্তিত থাকলে এর প্রভাব পড়তে পারে দামের ওপর। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন নিম্ন আয়ের মানুষ, যাঁদের আয়ের তুলনায় খাদ্যব্যয় ইতিমধ্যে বেশি। ফলে উৎপাদন ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে খাদ্যসংকট আরও বিস্তৃত জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করতে পারে।

খাদ্যসহায়তায় ১ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের ঘাটতি

চলতি বছর জীবনরক্ষাকারী খাদ্যসহায়তা কার্যক্রমে ১ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলারের অর্থায়ন ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে বছরের শেষ দিকে সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্বজুড়ে একাধিক সংকট এবং মানবিক সহায়তার অর্থ বরাদ্দে অগ্রাধিকারের পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে।

বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের খাদ্যসহায়তা এবং আশ্রয়শিবিরে বসবাসরত মানুষের জীবিকা ও স্বনির্ভরতা বাড়ানোর কর্মসূচি অর্থসংকটে পড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এসব উদ্যোগে অর্থায়ন কমে গেলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

আইপিসির পূর্বাভাসে সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় দ্রুত অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজার ও ভাসানচরের আশ্রয়শিবির, বান্দরবান, সুনামগঞ্জ এবং অন্যান্য দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

কৃষিতে বিনিয়োগ ও ভর্তুকি বাড়ানোর পরামর্শ

খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দীর্ঘমেয়াদে কৃষি উৎপাদন ধরে রাখা এবং খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করতে কৃষি খাতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সরকারি বিনিয়োগ বাড়লে বেসরকারি খাতও কৃষিতে বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে, যা উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমানে কৃষি উপকরণের বিক্রি ও সরবরাহের প্রায় ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশ বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ কারণে সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ জন্য বাজারব্যবস্থাপনাও কার্যকর করতে হবে।

ড. জাহাঙ্গীর আলমের মতে, দেশে ব্যবহৃত মোট ডিজেলের প্রায় ২৪ শতাংশ কৃষিকাজে ব্যয় হয়। সেচ ও কৃষি কার্যক্রম সচল রাখা এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সেচের ডিজেলে বিশেষ ভর্তুকি বা আর্থিক সহায়তা দেওয়া যেতে পারে। কৃষকদের সরাসরি ডিজেল ভর্তুকি দেওয়া সম্ভব হলে উৎপাদন ব্যয় কমাতে এবং খাদ্য উৎপাদন ধরে রাখতে তা সহায়ক হতে পারে।

Share this news as a Photo Card

Share and Enjoy !

Shares

২৩ জুলাই ২০২৫

লিবিয়া হয়ে ইতালীর অভিবাসী প্রত্যাশী মাদারীপুরের ১৪ যুবক ৫ মাস ধরে নিখোঁজ

www.janadristi.com