ঘুষের টাকাসহ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া শিক্ষা কর্মকর্তা আজিমেল কদরকে পুনরায় ফটিকছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পদে নিয়োগ পাওয়ায় সর্বমহলে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
দূর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত বিতর্কিত একজন অফিসারকে ফের এ উপজেলায় নিয়োগ দেওয়ায় স্থানীয় শিক্ষক সমাজের মধ্যে প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এ নিয়ে অনেকের প্রশ্ন, যে ব্যক্তি দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাঁকে কীভাবে শিক্ষা অফিসের মতো সংবেদনশীল পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। তা ভেবে দেখা দরকার।
জানা যায়, ২০১৮ সালে স্খানীয় বেড়াজালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার কাছ থেকে বদলির বিনিময়ে ঘুষ গ্রহণের সময় দুদকের জালে হাতেনাতে ধরা পড়েন আজিমেল কদর।
পরবর্তীতে ২০২০ সালে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর বিচার শেষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত ২ বছর ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন।
উপজেরা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একজন বিতর্কিত অফিসারের সাথে কী ভাবে কাজ করবো, বুঝে উঠতে পারছিনা। আজিমেল কদরের মতো লোক যদি পার পেয়ে এ ভাবে দায়িত্বে ফিরে আসে তাহলে সৎ যোগ্য ও পরিশ্রমী কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়বে। তাঁরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।