সুন্দরবনের ভোলা নদীতে অবৈধভাবে কয়লা পরিবহন ও পাচারের অভিযোগে ২৩০ মেট্রিক টন কয়লাবোঝাই একটি কার্গোসহ ৯ জনকে আটক করেছে বন বিভাগ। জব্দ করা কয়লার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। সোমবার সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের আওতাধীন ভোলা নদীতে টহল দেওয়ার সময় কার্গোটি আটক করা হয়। ‘হাসান ভান্ডারী’ নামের কার্গোটি মোংলার জয়মনি এলাকা থেকে কয়লা নিয়ে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে পাথরঘাটার দিকে যাচ্ছিল বলে জানা গেছে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সুন্দরবনে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে কার্গোটি আটক করা হয়। কার্গোর শ্রমিক-কর্মচারীদের দাবি, এটি ভাড়া করে পাথরঘাটার আমুয়া এলাকায় কয়লা নেওয়া হচ্ছিল। তবে কয়লা কেনার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় কয়লাসহ কার্গোটি জব্দ এবং সংশ্লিষ্টদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. তরিকুল ইসলাম (৩৪), দুলাল হাওলাদার (৩৪), মো. সুমন তালুকদার (২১), মো. নূর নবী হোসেন (৪২), মো. এনায়েত করিম (৪০), মো. ওবায়দুল (২২), মো. মামুন (২২), মো. লায়েক মিয়া (৫০) ও মো. কবির হোসেন (৪৫)। তাঁদের বাড়ি বাগেরহাটের মোংলা ও মোরেলগঞ্জ, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।
এ ঘটনায় সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের পক্ষ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের অভিযোগে শরণখোলা থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। বন কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন। পরে জব্দ করা কয়লা ও আটক ব্যক্তিদের শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সরকারি বন সংরক্ষক মো. শরীফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।