আজ , , ,

সাজেকে বৃহস্পতিবার থেকে ফের অনির্দিষ্টকালের অবরোধ, পর্যটকদের ফিরে আসার অনুরোধ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটন সড়কে আবারও অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে তৃতীয় দফায় এ কর্মসূচি শুরু হবে। এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে বুধবারের (২১ অক্টোবর) মধ্যে সাজেক থেকে সব পর্যটককে ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

বুধবার বিকেলে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাঘাইহাট ও মাচলং বাজার দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির অনুরোধে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত শুক্রবার থেকে বুধবার পর্যন্ত সড়ক অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় পূজা শেষে বৃহস্পতিবার থেকে আবারও আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে বুধবারের মধ্যেই পর্যটকদের সাজেক ত্যাগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর সকাল ৬টা থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে দ্বিতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু করেন সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের নেতাকর্মীরা। বাঘাইহাটের ১০ নম্বর এলাকা, গঙ্গারাম সেতু ও মাচলঙের ১৪ কিলোসহ সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার ও গাছের গুঁড়িতে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এতে সাজেকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েন।

যেসব দাবিতে অবরোধ

আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস—সন্তু লারমা) সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া।

গত ১১ অক্টোবর একই দাবিতে প্রথম দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। ওই দিন বিকেলে প্রশাসনের আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার জন্য কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। পরে ১৫ অক্টোবর থেকে দ্বিতীয় দফায় অবরোধ শুরু হয়। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাময়িক বিরতির পর এবার তৃতীয় দফায় কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সাজেক এলাকায় জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা তৎপরতা চালাচ্ছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ কারণে তাঁরা আবারও অবরোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেএসএস। সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, সাজেকে সাধারণ মানুষের ওপর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের দীর্ঘদিনের নিপীড়ন ও হয়রানির বিষয়টি আড়াল করতেই তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। ইউপিডিএফের চাপে সংগঠন দুটি অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

Share this news as a Photo Card

Share and Enjoy !

Shares

২৩ জুলাই ২০২৫

লিবিয়া হয়ে ইতালীর অভিবাসী প্রত্যাশী মাদারীপুরের ১৪ যুবক ৫ মাস ধরে নিখোঁজ

www.janadristi.com