Wednesday, 7th October, 2026

ঢাকায় হঠাৎ তীব্র শীতের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

রাজধানী ঢাকায় হঠাৎ তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু অবস্থায় সাধারণ মানুষকে চালিয়ে যেতে হচ্ছে দৈনন্দিন কাজকর্ম। কেন ঢাকায় এত বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে এবং কবে নাগাদ এ শীতের তীব্রতা কমতে পারে— সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান।
তিনি বলেন, ঢাকায় তীব্র শীত অনুভূত হওয়ার পেছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, সূর্যের আলো না থাকায় দিনের বেলায় তাপমাত্রা বাড়ছে না। দ্বিতীয়ত, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান অনেক কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি বেড়ে গেছে। সূর্যের আলো না থাকলে শরীর বেশি ঠান্ডা অনুভব করে, ফলে শীত আরো তীব্র মনে হয়। সকালের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকায় মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান মাত্র ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই ব্যবধান খুব কম হওয়ায় রাজধানীতে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবে আগামী শুক্রবার থেকে এ শীতের তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে বলে জানান তিনি।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকালের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে সারাদেশে হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

Share this news as a Photo Card

Share and Enjoy !

Shares

০২ নভেম্বর ২০২৫

ধর্ম উপদেষ্টা জানিয়েছেন বিশ্ব ইজতেমা হবে জাতীয় নির্বাচনের পর

www.janadristi.com